আমার লেখা এই প্রতিবেদনটি বিডি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডট কমের হ্যালো বিভাগে প্রকাশিত হয়।
কক্সবাজার শহরের অনেক
রাস্তাতেই শিশু হকার দেখা যায়। এরা অল্প পুঁজি দিয়েই একটা ছোট্ট ব্যবসা
দাঁড় করিয়েছে। পড়ালেখা ছেড়ে জীবিকার টানে রাস্তায় নানা পণ্য বিক্রি করছে।
সমুদ্র সৈকতে পর্যটক ছাউনির নিচে বা সৈকতের তীরে পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময়ও পর্যটকদের নানান পণ্য নিয়ে ছেঁকে ধরা হকারদের ভিড়ে পড়তে হয়।
এসব হকারদের ৯০ ভাগই শিশু। পরিবারের অভাব দূর করতে এরা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নানা রকম পণ্য সৈকতে বিক্রি করতে নিয়ে যায়।
সৈকতের ছোট দোকানগুলিতে ছোট ছোট ছেলে মেয়েরাই কড়ি, শামুক বা ঝিনুকের তৈরি মালা, কানের দুল, ব্রেসলেট বিক্রি করে।
আবার অনেকের রয়েছে খাবারের দোকান। সেখানে তারা সিদ্ধ ডিম, ঝালমুড়ি, ডাব, চা, কফি, খাবার পানি বিক্রি করে।
এরা অভাবের কারণে স্কুল ছেড়ে সৈকতে আসে জীবিকার তাগিদে।
কথা হয় তাদের কয়েকজনের সাথে। অন্তর নামে এক শিশু জানায়, তার লেখাপড়া করার ইচ্ছা আছে কিন্তু অভাব থাকায় হয়ে উঠে না।
পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করা সুজন জানায়, বাবা মারা যাওয়ায় পেটের দায়ে পড়ালেখা ছেড়ে দোকান দিয়েছে। এখনও খুব পড়তে ইচ্ছে করে ওর। তবে উপায় নেই।
খুব ভোরে এসে সমুদ্র থেকে ভেসে আসা শামুক, ঝিনুক ও কড়ি কুড়িয়ে নিজে এবং পরিবারের লোকদের নিয়ে নানান জিনিস তৈরি করে সৈকতে বিক্রি করতে নিয়ে আসে। এই পয়সাতেই তাদের সংসার চলে।
m.bdnews24.com/bn/detail/hello/6360
এসব হকারদের ৯০ ভাগই শিশু। পরিবারের অভাব দূর করতে এরা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নানা রকম পণ্য সৈকতে বিক্রি করতে নিয়ে যায়।
সৈকতের ছোট দোকানগুলিতে ছোট ছোট ছেলে মেয়েরাই কড়ি, শামুক বা ঝিনুকের তৈরি মালা, কানের দুল, ব্রেসলেট বিক্রি করে।
আবার অনেকের রয়েছে খাবারের দোকান। সেখানে তারা সিদ্ধ ডিম, ঝালমুড়ি, ডাব, চা, কফি, খাবার পানি বিক্রি করে।
এরা অভাবের কারণে স্কুল ছেড়ে সৈকতে আসে জীবিকার তাগিদে।
কথা হয় তাদের কয়েকজনের সাথে। অন্তর নামে এক শিশু জানায়, তার লেখাপড়া করার ইচ্ছা আছে কিন্তু অভাব থাকায় হয়ে উঠে না।
পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করা সুজন জানায়, বাবা মারা যাওয়ায় পেটের দায়ে পড়ালেখা ছেড়ে দোকান দিয়েছে। এখনও খুব পড়তে ইচ্ছে করে ওর। তবে উপায় নেই।
খুব ভোরে এসে সমুদ্র থেকে ভেসে আসা শামুক, ঝিনুক ও কড়ি কুড়িয়ে নিজে এবং পরিবারের লোকদের নিয়ে নানান জিনিস তৈরি করে সৈকতে বিক্রি করতে নিয়ে আসে। এই পয়সাতেই তাদের সংসার চলে।
m.bdnews24.com/bn/detail/hello/6360


কোন মন্তব্য নেই