দুর্নীতির করালগ্রাস থেকে মুক্তির সন্ধানে
আমার লেখা এই প্রতিবেদনটি বিডি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডট কমের হ্যালো বিভাগে প্রকাশিত হয়।
দুর্নীতি সামাজিক ব্যাধি হিসেবে দিনে দিনে দেশের রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবেশ করেছে। এই ব্যাধি থেকে মুক্তির পথ খুঁজছে সবাই। আমাদের দেশে দুর্নীতিবাজ বলতে সাধারণত ঘুষ, বল প্রয়োগ বা ভয় প্রদর্শন, প্রভাব ও ক্ষমতার অপব্যবাবহার করা ব্যক্তি বিশেষকেই বলা হয়।
জামার্নির দুনীর্তি
বিরোধী আর্ন্তজাতিক এক সংগঠনের জরিপে পর পর কয়েক বছর বাংলাদেশ পৃথিবীর
সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে দেখানো হয়, যা একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম
দেশের জন্য খুবই লজ্জাকর। যে সব কারণে বাংলাদেশে
দুর্নীতি শেকড় গেড়ে বসেছে, তা যদি অচিরেই প্রতিরোধ করা না যায় তাহলে জাতি
হিসেবে আমাদের
মর্যাদা বিলীন হয়ে যাবে। তাই দুনীর্তি প্রতিরোধে প্রয়োজন সবার সম্মিলিত
প্রচেষ্টা।
দুর্নীতি প্রতিরোধ করতে হলে প্রথমেই প্রতিষ্ঠা করতে হবে স্বাধীন বিচার বিভাগ এবং নিশ্চিত করতে হবে এর কার্যকারিতা। গঠন করতে হবে সরকারি নিরীক্ষণ কমিটি। চেষ্টা চালাতে হবে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার, যাতে ছোট-বড় কোনো অপরাধীই আইনের চোখ ফাঁকি দিতে না পারে।
চাকরি ক্ষেত্রে গুরুত্ব দিতে হবে প্রকৃত মেধাবীদের। উপযুক্ত বেতন দিতে হবে সরকারি কর্মকর্তাদের, যাতে তারা দুর্নীতির আশ্রয় নিতে না পারে।
দুনীর্তির মূলোৎপাটনে জনগণের মধ্যে নৈতিক মূল্যবোধ ও সামাজিক চেতনা সৃষ্টির জন্য কার্যকর কর্মসূচিও বাস্তবায়ন করতে হবে। গড়ে তুলতে হবে সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ প্রশাসন ব্যবস্থা। নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে সরকারি কর্মকর্তাদের।
এছাড়া জ্ঞানী-গুণী, নিবেদিত ও দক্ষ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে রাজনৈতিক ব্যবস্থার গুণগত পরিবর্তন আনতে হবে। আর দুনীর্তির বিরুদ্ধে গণসচেতনতা সৃষ্টি ও কতিপয় দুর্নীতিবাজদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করলে দুনীর্তি প্রতিরোধ করা সম্ভব।
তবে আশার কথা এই, ইতিমধ্যে বাংলাদেশের সরকার দুনীর্তির বিরুদ্ধে সোচ্ছার হয়েছে এবং দুর্নীতি রোধে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করছে।
m.bdnews24.com/bn/detail/hello/3464
দুর্নীতি প্রতিরোধ করতে হলে প্রথমেই প্রতিষ্ঠা করতে হবে স্বাধীন বিচার বিভাগ এবং নিশ্চিত করতে হবে এর কার্যকারিতা। গঠন করতে হবে সরকারি নিরীক্ষণ কমিটি। চেষ্টা চালাতে হবে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার, যাতে ছোট-বড় কোনো অপরাধীই আইনের চোখ ফাঁকি দিতে না পারে।
চাকরি ক্ষেত্রে গুরুত্ব দিতে হবে প্রকৃত মেধাবীদের। উপযুক্ত বেতন দিতে হবে সরকারি কর্মকর্তাদের, যাতে তারা দুর্নীতির আশ্রয় নিতে না পারে।
দুনীর্তির মূলোৎপাটনে জনগণের মধ্যে নৈতিক মূল্যবোধ ও সামাজিক চেতনা সৃষ্টির জন্য কার্যকর কর্মসূচিও বাস্তবায়ন করতে হবে। গড়ে তুলতে হবে সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ প্রশাসন ব্যবস্থা। নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে সরকারি কর্মকর্তাদের।
এছাড়া জ্ঞানী-গুণী, নিবেদিত ও দক্ষ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে রাজনৈতিক ব্যবস্থার গুণগত পরিবর্তন আনতে হবে। আর দুনীর্তির বিরুদ্ধে গণসচেতনতা সৃষ্টি ও কতিপয় দুর্নীতিবাজদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করলে দুনীর্তি প্রতিরোধ করা সম্ভব।
তবে আশার কথা এই, ইতিমধ্যে বাংলাদেশের সরকার দুনীর্তির বিরুদ্ধে সোচ্ছার হয়েছে এবং দুর্নীতি রোধে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করছে।
m.bdnews24.com/bn/detail/hello/3464


কোন মন্তব্য নেই