দর নাই’ তাই শিশুকেও লবণ চাষে নিয়োগ
আমার লেখা এই প্রতিবেদনটি বিডি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডট কমের হ্যালো বিভাগে প্রকাশিত হয়।
দেশি লবণের বাজার দর কম হওয়ায় উৎপাদন খরচ কমাতে তাদের অল্প বয়সী ছেলে-মেয়েদেরকে দিয়ে মজুরের কাজ করাচ্ছে বলে দাবি করেছে লবণ চাষিরা।
সম্প্রতি দুজন সঙ্গী নিয়ে কক্সবাজার জেলার উপকুলীয় দ্বীপ মহেশখালীর বেশ কয়েকটি লবণ মাঠ ঘুরে দেখি।
লবণের কারণে লবণমাঠে স্বাভাবিকের চেয়ে গরম অনেক বেশি লাগে। খুব ভোরে রওনা দিয়েও প্রচণ্ড গরমে কাহিল হতে পারি ভেবে শুকনো খাবার আর বোতলে পানি নিয়ে গিয়েছিলাম।
এসব লবণ মাঠ ঘুরতে প্রায় চার কিলোমিটার পথ হাঁটতে হয়েছে।
মাঠগুলো দেখেছি অনেক শিশু কাজ করছে। ওদের সংখ্যা ৫০ এর কম হবে না। বড়দের মতোই ওই গরমে সারাদিন কাজ করে বেশিরভাগ শিশু।লবণ মাঠে কয়েকজন শিশুশ্রমজীবীর সঙ্গে কথা হয়। ওরা জানায় তারা অনেকেই পড়ালেখা করে না। তাদের একজন রাশেদ।
রাশেদ জানায়, তাদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় সে পড়ালেখা না করে লবণ মাঠে কাজ করছে।
অপর শিশুশ্রমজীবী হোসাইনও একই কথা বলে।
ওরা আসলে ওদের পরিবারের লবণ মাঠেই কাজ করে। তাই শিশুশ্রম নিষিদ্ধ হলেও শিশুদের দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে কেন জানতে চাই ওদের অভিভাবকদের কাছে।
কথা হয় দুই অভিভাবক মো. কাশেম ও রবিউলের সঙ্গে।
তারা জানান, লবণের বাজারদর কম থাকায় মজুরি দিয়ে শ্রমিক রাখা তাদের পক্ষে সম্ভব না।
তাই তারা ছেলে-মেয়েদের স্কুলে না পাঠিয়ে তাদের সঙ্গে লবণ মাঠে নিয়ে আসেন।দেশে
উৎপাদিত লবণ দিয়ে চাহিদা মেটাতে স্বাধীতার আগে থেকেই সরকারি উদ্যোগ শুরু
হয়। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের তথ্যে কক্সবাজার , খুলনা ও
সাতক্ষীরা জেলায় প্রায় ৭০ হাজার একর জমিতে লবণ চাষ হচ্ছে।
চাষিদের কাছ থেকে ‘কাঁচা লবণ’ কিনে নিয়ে তা কারখানায় পরিষ্কার করে তারপর বিক্রি হয় বাজারে।
m.bdnews24.com/bn/detail/hello/3787
লবণের কারণে লবণমাঠে স্বাভাবিকের চেয়ে গরম অনেক বেশি লাগে। খুব ভোরে রওনা দিয়েও প্রচণ্ড গরমে কাহিল হতে পারি ভেবে শুকনো খাবার আর বোতলে পানি নিয়ে গিয়েছিলাম।
এসব লবণ মাঠ ঘুরতে প্রায় চার কিলোমিটার পথ হাঁটতে হয়েছে।
রাশেদ জানায়, তাদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় সে পড়ালেখা না করে লবণ মাঠে কাজ করছে।
অপর শিশুশ্রমজীবী হোসাইনও একই কথা বলে।
ওরা আসলে ওদের পরিবারের লবণ মাঠেই কাজ করে। তাই শিশুশ্রম নিষিদ্ধ হলেও শিশুদের দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে কেন জানতে চাই ওদের অভিভাবকদের কাছে।
কথা হয় দুই অভিভাবক মো. কাশেম ও রবিউলের সঙ্গে।
তারা জানান, লবণের বাজারদর কম থাকায় মজুরি দিয়ে শ্রমিক রাখা তাদের পক্ষে সম্ভব না।
চাষিদের কাছ থেকে ‘কাঁচা লবণ’ কিনে নিয়ে তা কারখানায় পরিষ্কার করে তারপর বিক্রি হয় বাজারে।
m.bdnews24.com/bn/detail/hello/3787


কোন মন্তব্য নেই