আমার লেখা এই প্রতিবেদনটি বিডি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডট কমের হ্যালো বিভাগে প্রকাশিত হয়।
হরতালের কারণে এবার জেলার বাইরের পর্যটক ঈদের ছুটিতে ঘুরতে কম এসেছে কক্সবাজার। তবে
কক্সবাজারের হাজারো স্থানীয় দর্শনার্থীর ভীড়ে হেসে ওঠে কক্সবাজারের বিনোদনকেন্দ্রগুলো|
হোটেল-মোটেল, রেস্তোরাসহ বেড়াতে আসা বিভিন্নজন জানান এবার জেলার বাইরের
থেকে লোকজন কম ঘুরতে আসায় তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী ব্যবসা হয়নি।
এজেলার আকর্ষণ ঐতিহাসিক বার্মিজ মার্কেট, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত, রাডার স্টেশন, লাইট হাইস, সার্কিট হাইস, হিমছড়ির ঝর্ণা, জীব বৈচিত্র প্রাণি জাদুঘর, ইনানী রেজু ব্রিজ, ইনানী সমুদ্র সৈকত, উখিয়ার প্রাচীন কানারাজার গুহা, টেকনাফের সী-বীচ, টেকনাফ থানার মাথিনের কূপ, দেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন, ছেড়া দ্বীপ সেন্টমার্র্টিন, মহেশখালীর আদিনাথ মন্দির, মহেশখালী জেটি, মহেশখালীর সোনাদিয়া চর, বড় রাখাইন পাড়া মহেশখালী, ডুলাহাজারা বঙ্গবন্দু সাফারি পার্ক, রামুর রাম র্কুট, রামুর উত্তর মিঠাছড়িস্থ ১০০ ফুট লম্বা গৌতম বুদ্ধের মূর্তি, রামুর চা বাগান, কুতুবদিয়া বাতিঘর, কুতুবদিয়া মালেক শাহা হুজুরের মাজার শরিফ ও রামু দক্ষিণ মিঠাছড়ির ইন্টারন্যাশনাল অ্যামিউজম্যান ক্লাব।
হোটেল সিগ্যাল প্যালেসের ব্যবস্থাপক করিম উল্লাহ জানান, তার হোটেলের ৬৫ কক্ষের মধ্যে ভাড়া হয়েছে ২০টি। অথচ অন্যান্য বছর এ সময় এক সপ্তাহ আগেই হোটেলের সব ঘর ভাড়া হয়ে যেত।
জামায়াতের হরতালের কারণে এবার পর্যটক কম আসে বলে জানান তিনি। একই কথা বললেন হোটেল সী-প্যালেসের ডেস্ক এক্সিকিউটিভ গোলাম সরওয়ার।
তিনি বলেন, “ঈদের এক সপ্তাহ আগেই তার হোটেলের ৮৩টি কক্ষের মধ্যে ৫০টি বুকিং দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু হরতালের কারণে ২০টি কক্ষের বুকিং বাতিল হয়েছে।”
হোটেল ওশান প্যারাডাইসের সেলস এন্ড মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ সাঈদ মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, কক্সবাজারে পর্যটক সমাগম না হলেও তার হোটেলে অর্ধেকের বেশি কক্ষ ভাড়া হয়।
“পর্যটকদের অনেকেই সময়সূচি পাল্টে কক্ষ ভাড়া নিচ্ছেন।”
পানসী রেস্তোরার মালিক মো. কামরুজ্জামান জানান, অন্যান্য বছর ঈদ মোসুমে লাখ টাকার বেশি খাবার বিক্রি হলেও এবার বেচাকেনা নেমে গেছে ১০ হাজার টাকায়।
শামুক-ঝিনুকের পণ্য বিক্রেতা আব্দুল গফুর জানান, এবার ঘুরতে আসা লোকজনের মধ্যে স্থানীয়দের সংখ্যা বেশি। শামুক-ঝিনুকের প্রতি অন্য এলাকার লোকজনের বেশি আকর্ষণ থাকে। তাই তাদের ব্যবসা ভালো হয়নি।
ঢাকার মিরপুর থেকে বেড়াতে আসা মহিউদ্দিন জানান, চার দিন থাকার ইচ্ছা নিয়ে এলেও দুই দিন আগেই বাড়ি ফিরছেন তারা।
এ ব্যাপারে হোটেল-মোটেল ও গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সভাপতি ওমর সুলতান জানান, কক্সবাজারের সাড়ে ৩ শতাধিক হোটেল-মোটেলে দেড় লাখের বেশি পর্যটক থাকতে পারে।
“কিন্তু এবার ঈদের ছুটিতে বেড়াতে আসা পর্যটকের সংখ্যা ১৫/২০ হাজারের বেশি হবে না।”
তবে ঈদের সময়ে দুপুর গড়াতেই বিনোদন কেন্দ্রে স্থানীয় শিশু, কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণীসহ নানা বয়সী মানুষে কানায় কানায় ভরে ওঠে। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ভ্রমনের আনন্দ উপভোগ করতে কক্সবাজারের বিভিন্ন মহল্লার বাসিন্দারা বিনোদন কেন্দ, ও সৈকতে ঘুরতে আসে।
এজেলার আকর্ষণ ঐতিহাসিক বার্মিজ মার্কেট, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত, রাডার স্টেশন, লাইট হাইস, সার্কিট হাইস, হিমছড়ির ঝর্ণা, জীব বৈচিত্র প্রাণি জাদুঘর, ইনানী রেজু ব্রিজ, ইনানী সমুদ্র সৈকত, উখিয়ার প্রাচীন কানারাজার গুহা, টেকনাফের সী-বীচ, টেকনাফ থানার মাথিনের কূপ, দেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন, ছেড়া দ্বীপ সেন্টমার্র্টিন, মহেশখালীর আদিনাথ মন্দির, মহেশখালী জেটি, মহেশখালীর সোনাদিয়া চর, বড় রাখাইন পাড়া মহেশখালী, ডুলাহাজারা বঙ্গবন্দু সাফারি পার্ক, রামুর রাম র্কুট, রামুর উত্তর মিঠাছড়িস্থ ১০০ ফুট লম্বা গৌতম বুদ্ধের মূর্তি, রামুর চা বাগান, কুতুবদিয়া বাতিঘর, কুতুবদিয়া মালেক শাহা হুজুরের মাজার শরিফ ও রামু দক্ষিণ মিঠাছড়ির ইন্টারন্যাশনাল অ্যামিউজম্যান ক্লাব।
হোটেল সিগ্যাল প্যালেসের ব্যবস্থাপক করিম উল্লাহ জানান, তার হোটেলের ৬৫ কক্ষের মধ্যে ভাড়া হয়েছে ২০টি। অথচ অন্যান্য বছর এ সময় এক সপ্তাহ আগেই হোটেলের সব ঘর ভাড়া হয়ে যেত।
জামায়াতের হরতালের কারণে এবার পর্যটক কম আসে বলে জানান তিনি। একই কথা বললেন হোটেল সী-প্যালেসের ডেস্ক এক্সিকিউটিভ গোলাম সরওয়ার।
তিনি বলেন, “ঈদের এক সপ্তাহ আগেই তার হোটেলের ৮৩টি কক্ষের মধ্যে ৫০টি বুকিং দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু হরতালের কারণে ২০টি কক্ষের বুকিং বাতিল হয়েছে।”
হোটেল ওশান প্যারাডাইসের সেলস এন্ড মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ সাঈদ মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, কক্সবাজারে পর্যটক সমাগম না হলেও তার হোটেলে অর্ধেকের বেশি কক্ষ ভাড়া হয়।
“পর্যটকদের অনেকেই সময়সূচি পাল্টে কক্ষ ভাড়া নিচ্ছেন।”
পানসী রেস্তোরার মালিক মো. কামরুজ্জামান জানান, অন্যান্য বছর ঈদ মোসুমে লাখ টাকার বেশি খাবার বিক্রি হলেও এবার বেচাকেনা নেমে গেছে ১০ হাজার টাকায়।
শামুক-ঝিনুকের পণ্য বিক্রেতা আব্দুল গফুর জানান, এবার ঘুরতে আসা লোকজনের মধ্যে স্থানীয়দের সংখ্যা বেশি। শামুক-ঝিনুকের প্রতি অন্য এলাকার লোকজনের বেশি আকর্ষণ থাকে। তাই তাদের ব্যবসা ভালো হয়নি।
ঢাকার মিরপুর থেকে বেড়াতে আসা মহিউদ্দিন জানান, চার দিন থাকার ইচ্ছা নিয়ে এলেও দুই দিন আগেই বাড়ি ফিরছেন তারা।
এ ব্যাপারে হোটেল-মোটেল ও গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সভাপতি ওমর সুলতান জানান, কক্সবাজারের সাড়ে ৩ শতাধিক হোটেল-মোটেলে দেড় লাখের বেশি পর্যটক থাকতে পারে।
“কিন্তু এবার ঈদের ছুটিতে বেড়াতে আসা পর্যটকের সংখ্যা ১৫/২০ হাজারের বেশি হবে না।”
তবে ঈদের সময়ে দুপুর গড়াতেই বিনোদন কেন্দ্রে স্থানীয় শিশু, কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণীসহ নানা বয়সী মানুষে কানায় কানায় ভরে ওঠে। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ভ্রমনের আনন্দ উপভোগ করতে কক্সবাজারের বিভিন্ন মহল্লার বাসিন্দারা বিনোদন কেন্দ, ও সৈকতে ঘুরতে আসে।


কোন মন্তব্য নেই