আমার লেখা এই প্রতিবেদনটি বিডি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডট কমের হ্যালো বিভাগে প্রকাশিত হয়।
"সাত মাস আগে বাবা মারা গেছে। চিন্তায় চিন্তায় মা অসুস্থ। আয় করার মত কেউ নেই সংসারে। তাই লেখাপড়া বাদ দিয়ে রিকশা চালাই।"
মহেশখালীর হোয়ানক ইউনিয়নের আবদুল মাবুদ (১২) এভাবেই নিজের
জীবনের কথাগুলো বলছিল আমার সাথে।
চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছে। এখন রিকশা চালায়। দিনে ২০০-২৫০ টাকা যা আয়া হয় তা দিয়েই চলে তাদের সংসার।
মাবুদ ছাড়াও এমন অনেক শিশুই আছে যারা স্কুল থেকে ঝরে পড়ে নানা কাজে যুক্ত হয়।
একই ইউনিয়নের মোহাম্মদ করিম (১১) নামের আরেক শিশু শ্রমিকের সাথে কথা হয় আমার। লেখাপড়া কর না কেন জিগ্যেস করতেই বলে, তাহলে মাকে খাওয়াবে কে?
এসব প্রশ্নের কোনো উত্তরই নেই আমার কাছে। কোনো শিশুশ্রমিকের সাথে কথা বলতেই গেলেই এমন প্রশ্ন শুনে থমকে যাই। তাই তো কাজ না করলে খাবে কি ওরা?
মহেশখালী জেটিঘাট, মহেশখালী পৌরসভা, মহেশখালী-নতুনবাজার সড়ক, পানিরছড়া-হোয়ানক সড়কসহ বিভিন্ন রাস্তায় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দেখা মেলে বহু শিশু রিকশা চালকের। তারা পড়ালেখা বাদ দিয়ে আবার অনেকে দিনে স্কুল করে রাতে রিকশা চালায়। স্কুলের পোশাকেই ওদের রিকশা চালাতে দেখা যায়।
m.bdnews24.com/bn/detail/hello/7422
চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছে। এখন রিকশা চালায়। দিনে ২০০-২৫০ টাকা যা আয়া হয় তা দিয়েই চলে তাদের সংসার।
মাবুদ ছাড়াও এমন অনেক শিশুই আছে যারা স্কুল থেকে ঝরে পড়ে নানা কাজে যুক্ত হয়।
একই ইউনিয়নের মোহাম্মদ করিম (১১) নামের আরেক শিশু শ্রমিকের সাথে কথা হয় আমার। লেখাপড়া কর না কেন জিগ্যেস করতেই বলে, তাহলে মাকে খাওয়াবে কে?
এসব প্রশ্নের কোনো উত্তরই নেই আমার কাছে। কোনো শিশুশ্রমিকের সাথে কথা বলতেই গেলেই এমন প্রশ্ন শুনে থমকে যাই। তাই তো কাজ না করলে খাবে কি ওরা?
মহেশখালী জেটিঘাট, মহেশখালী পৌরসভা, মহেশখালী-নতুনবাজার সড়ক, পানিরছড়া-হোয়ানক সড়কসহ বিভিন্ন রাস্তায় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দেখা মেলে বহু শিশু রিকশা চালকের। তারা পড়ালেখা বাদ দিয়ে আবার অনেকে দিনে স্কুল করে রাতে রিকশা চালায়। স্কুলের পোশাকেই ওদের রিকশা চালাতে দেখা যায়।
m.bdnews24.com/bn/detail/hello/7422


কোন মন্তব্য নেই