আমার লেখা এই প্রতিবেদনটি বিডি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডট কমের হ্যালো বিভাগে প্রকাশিত হয়।
দেশে শিশুশ্রমের বিরুদ্ধে নানা আইন থাকলেও বেড়েই চলছে শিশুশ্রম। বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ধারা ৩৪ ও ৩৫ অনুযায়ী ১৪ বছরের কোন শিশুকে কাজে নিয়োগ করা যাবে না এবং শিশুর পিতা-মাতা কিংবা অভিভাবক শিশুকে দিয়ে কাজ করানোর জন্য কারও সাথে কোনো চুক্তি করতে পারবে না।
কিন্তু এইসব নীতিকে পাশ কাটিয়েই শিশুদের নিযুক্ত করা হচ্ছে ঝুকিঁপূর্ণ
শ্রমে। বাংলাদেশের পাহাড়ি দ্বীপ মহেশখালীতে আশংকাজনক হারে বাড়ছে শিশুশ্রম।
এখানকার দরিদ্র পরিবারের শিশুরা আর্থিক অসচ্ছলতার জন্য বিদ্যালয়মুখি না হয়ে
হচ্ছে
মহাজনমুখি।
আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে শিশুদের অভিবাবকরাই শিশুদের পড়া লেখা বাদ দিয়ে কাজ করতে পাঠাচ্ছেন।
উপজেলার বিভিন্ন মোটর গ্যারেজ, শুটকি মহাল, লবণ মাঠ, পানের বরজ, ধান ক্ষেত ও চায়ের দোকানে শিশুদের কাজ করতে দেখা যায়।
“পেটে ক্ষুদা ঘরত ভাত ন পাই। তাই নুনের মাঠে কাম গরি। ফজরে ৬ টার তুন নুনের মাঠে আই, ঘরত যাই সন্ধ্যা ৬টাই। বেতন পাই দিনে ৫০টিয়া।"
নিজের কষ্টের কথাগুলো এভাবেই আমাকে বলেছিল নরুল কবির নামের এক শিশু শ্রমজীবী। তার বাড়ি উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নে। সে এলাকার লবণ মাঠে কাজ করে।
১৩ বছরের আরেক শিশু জসিম কাজ করে নিজেদের লবণ মাঠেই। ও জানায়, লেখাপড়া করার শখ থাকলেও অভাবের কারণে তা ছাড়তে হয়েছে।
জসিমের বাবা নজির আহম্মদ জানান, কাজ করার জন্য অতিরিক্ত শ্রমিক নিয়োগ করা ওনার পক্ষে অসম্ভব, তাই মাঠে কাজ করার জন্য তার ছেলেকে সাথে নিয়ে আসেন।
উপজেলার বড়ছড়া গ্রামের আরেক শিশু সোহাগ জানায়, পরিবারের অভাব মেটাতে ওর্য়াকসপে কাজ করছে গত এক বছর ধরে। নামমাত্র পারিশ্রমিকে ভোর থেকে অনেক রাত পর্যন্ত কাজ করে সে।
m.bdnews24.com/bn/detail/hello/6938
আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে শিশুদের অভিবাবকরাই শিশুদের পড়া লেখা বাদ দিয়ে কাজ করতে পাঠাচ্ছেন।
উপজেলার বিভিন্ন মোটর গ্যারেজ, শুটকি মহাল, লবণ মাঠ, পানের বরজ, ধান ক্ষেত ও চায়ের দোকানে শিশুদের কাজ করতে দেখা যায়।
“পেটে ক্ষুদা ঘরত ভাত ন পাই। তাই নুনের মাঠে কাম গরি। ফজরে ৬ টার তুন নুনের মাঠে আই, ঘরত যাই সন্ধ্যা ৬টাই। বেতন পাই দিনে ৫০টিয়া।"
নিজের কষ্টের কথাগুলো এভাবেই আমাকে বলেছিল নরুল কবির নামের এক শিশু শ্রমজীবী। তার বাড়ি উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নে। সে এলাকার লবণ মাঠে কাজ করে।
১৩ বছরের আরেক শিশু জসিম কাজ করে নিজেদের লবণ মাঠেই। ও জানায়, লেখাপড়া করার শখ থাকলেও অভাবের কারণে তা ছাড়তে হয়েছে।
জসিমের বাবা নজির আহম্মদ জানান, কাজ করার জন্য অতিরিক্ত শ্রমিক নিয়োগ করা ওনার পক্ষে অসম্ভব, তাই মাঠে কাজ করার জন্য তার ছেলেকে সাথে নিয়ে আসেন।
উপজেলার বড়ছড়া গ্রামের আরেক শিশু সোহাগ জানায়, পরিবারের অভাব মেটাতে ওর্য়াকসপে কাজ করছে গত এক বছর ধরে। নামমাত্র পারিশ্রমিকে ভোর থেকে অনেক রাত পর্যন্ত কাজ করে সে।
m.bdnews24.com/bn/detail/hello/6938



কোন মন্তব্য নেই