শান্তিতে নোবেল পেলেন মালালা-কৈলাশ

আমি ও আমার কয়েকজন বন্ধুর লেখা এই প্রতিবেদনটি যৌথভাবে বিডি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডট কমের  হ্যালো বিভাগে প্রকাশিত হয়।

শুক্রবার বিবিসির অনলাইন, রয়টার্স ও এনডিটিভির খবরে জানান হয়, নরওয়ের নোবেল কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে শিশু-কিশোর ও তরুণদের ওপর নিপীড়নের বিরুদ্ধে লড়াই ও সব শিশুর জন্য শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করতে সংগ্রামের স্বীকৃতিস্বরূপ এ দুজনকে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়েছে।
মহাত্মা গান্ধীর আদর্শ অনুসারী ভারতের কৈলাশ সত্যার্থী দীর্ঘদিন ধরে ‘বাচপান (শৈশব) বাঁচাও আন্দোলন’ নামে শিশু-অধিকার রক্ষা আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন।
নোবেল পাওয়ার পর এনডিটিভিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ভারতের এই নোবেলজয়ী জানান, এর মধ্য দিয়ে কোটি শিশুর কণ্ঠস্বর প্রতিফলিত হয়েছে।
৯০ এর দশক থেকে ভারতে শিশু শ্রমের বিরুদ্ধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার সংগঠন বাচপান (শৈশব) বাঁচাও আন্দোলন অক্টোবর, ২০১৪ সাল পর্যন্ত আশি হাজারেরও বেশি নির্যাতিত  শিশুকে থেকে মুক্ত করেছে এবং তাদের পুণর্বাসন ও শিক্ষায় সহযোগিতা করেছে।
শিশুবিষয়ক সামাজিক বিষয়াবলী নিয়ে সত্যার্থী বৈশ্বিক প্রচারণাও চালান।
বেসরকারী সংস্থা, শিক্ষক ও ট্রেড ইউনিয়নকর্মী ও শিক্ষার জন্য বৈশ্বিক প্রচারণা সংস্থার বৈশ্বিক জোট নিয়ন্ত্রণকারী ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার অন চাইল্ড লেবার এন্ড অ্যাডুকেশনের (আইসিসিএলই) আন্তর্জাতিক পরামর্শক পরিষদের সাথেও তিনি জড়িত।
তিনি ১৯৫৪ সালের ১১ জানুয়ারি ভারতের মধ্যপ্রদেশের বিদিশায় জন্ম নেন।
মালালা ইউসুফ জাই নারী ও শিশু শিক্ষার অধিকার নিশ্চিতের দাবিতে কাজ করায় পাকিস্তানের তালেবান জঙ্গিগোষ্ঠীর ক্ষোভের শিকার হন।
২০১২ সালের অক্টোবর মাসে পাকিস্তানের সোয়াত উপত্যকায় এক তালেবান জঙ্গি তার মাথায় গুলি করে। এই ঘটনার প্রতিবাদে বিশ্বের বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা ও গণমাধ্যমগুলো সোচ্চার হয়ে ওঠে।
১৭ বছর বয়সে নোবেল পাওয়ার মধ্য দিয়ে সবচেয়ে কম বয়সে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার রেকর্ড গড়লেন মালালা।
m.bdnews24.com/bn/detail/hello/6486

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.