আমার লেখা এই প্রতিবেদনটি বিডি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডট কমের হ্যালো বিভাগে প্রকাশিত হয়।
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে মহেশখালী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আমরা পুস্পস্তবক অর্পণ করি।
ভাষা আন্দোলনের ৬২ বছর পূর্ণ
হলো এবার।
একুশে ফেব্রুয়ারি একদিকে
শোকাবহ হলেও এর অন্যদিকে আছে গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়।
কারণ পৃথিবীর ইতিহাসে ভাষার জন্য আত্মত্যাগের গৌরব শুধু আমাদের।
রাত ১২টা ১মিনিটে মহেশখালী উপজেলা চত্বরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান উপজেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক, সাংস্কৃতি, সামাজিক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সাংবাদিক ফোরামসহ সব স্তরের মানুষ।
মায়ের ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে একুশে ফেব্রুয়ারি ছিল ঔপনিবেশিক প্রভুত্ব ও শাসন-শোষণের বিরুদ্ধে বাঙালির প্রথম প্রতিরোধ এবং জাতীয় চেতনার প্রথম উন্মেষ।
১৯৫২ সালের এই দিনে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে দুর্বার আন্দোলনে সালাম, জব্বার, শফিক, বরকত ও রফিকসহ অনেকের রক্তের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি মাতৃভাষার মর্যাদা।
এরই পথ ধরে শুরু হয় আমাদের স্বাধিকার আন্দোলন। ১৯৭১ সালে ন’মাস পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।
১৯৯৯ সাল থেকে ঐতিহাসিক একুশের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণার পর থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও দিবসটি পালিত হচ্ছে।
রাত ১২টা ১মিনিটে মহেশখালী উপজেলা চত্বরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান উপজেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক, সাংস্কৃতি, সামাজিক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সাংবাদিক ফোরামসহ সব স্তরের মানুষ।
মায়ের ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে একুশে ফেব্রুয়ারি ছিল ঔপনিবেশিক প্রভুত্ব ও শাসন-শোষণের বিরুদ্ধে বাঙালির প্রথম প্রতিরোধ এবং জাতীয় চেতনার প্রথম উন্মেষ।
১৯৫২ সালের এই দিনে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে দুর্বার আন্দোলনে সালাম, জব্বার, শফিক, বরকত ও রফিকসহ অনেকের রক্তের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি মাতৃভাষার মর্যাদা।
এরই পথ ধরে শুরু হয় আমাদের স্বাধিকার আন্দোলন। ১৯৭১ সালে ন’মাস পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।
১৯৯৯ সাল থেকে ঐতিহাসিক একুশের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণার পর থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও দিবসটি পালিত হচ্ছে।



কোন মন্তব্য নেই