আমার লেখা এই প্রতিবেদনটি বিডি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডট কমের হ্যালো বিভাগে প্রকাশিত হয়।
কক্সবাজারের মহেশখালীতে দিন দিন মাদকের ভয়াল থাবা মেলে ধরছে।
এ দ্বীপাঞ্চলে গাঁজা, হেরোইন, ফেন্সিডিল, দেশি মদ সহজে পাওয়া যাচ্ছে
দেদারসে। উপজেলার নানা জায়গায় মাদক দ্রব্য এত সহজেই মেলে যে ছাত্রদের কোনো
কষ্ট করা লাগে না। ফলে মাদকের ছোবল থেকে শিশুরাও রেহাই পাচ্ছে না।
স্কুল-কলেজের ছাত্ররাও মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে। তাদের পরিবারে নেমে আসছে হতাশা
আর দুর্দশা।
এলাকার বিশিষ্ট সমাজ সেবক প্রণয় ঘোষ জানান, মহেশখালির ক্রাইমজোন হিসেবে পরিচিত কালারমারছড়া, হোয়ানক, মহেশখালীর হিন্দুপাড়া, কুতুবজোম ইউনিয়নের বিভিন্ন জায়গায় গড়ে ওঠেছে মদের কারখানা।
এসব কারখানার মদ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হয়। অপরদিকে এসব নেশাদ্রব্য ছাত্রদের কাছে সরবরাহ করছে এক শ্রেণির অসাধু লোক।
ব্যবসায়ী মিলন দে বলেন,~এভাবে চলতে থাকলে যুব সমাজের পাশাপাশি দ্বীপের আইনশৃঙ্খলা চরম অবনতি গড়ে উঠবে।
~তাই যত তাড়াতাড়ি মদের কারখানাসহ মাদক ব্যবসায়ী ও সরবরাহকারীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন।“
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনোয়ারুল নাসের হ্যালোর সাংবাদিককে ফোনে বলেন, ~মাদকের ভয়াল ছোবল থেকে যুব সমাজকে বাঁচাতে প্রশাসনের পাশাপাশি এগিয়ে আসতে হবে অভিভাবকদের।
~আর যারা দ্বীপে অবৈধপথে প্রাণঘাতী মাদকসহ নেশা জাতীয় দ্রব্য নিয়ে আসছে তাদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
আর এ পরিস্থিতি বদলাতে সবার আন্তরিক সহযোগিতা চান তিনি।
(সংবাদে যুক্ত ছবিটি সংগ্রহীত)
এলাকার বিশিষ্ট সমাজ সেবক প্রণয় ঘোষ জানান, মহেশখালির ক্রাইমজোন হিসেবে পরিচিত কালারমারছড়া, হোয়ানক, মহেশখালীর হিন্দুপাড়া, কুতুবজোম ইউনিয়নের বিভিন্ন জায়গায় গড়ে ওঠেছে মদের কারখানা।
এসব কারখানার মদ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হয়। অপরদিকে এসব নেশাদ্রব্য ছাত্রদের কাছে সরবরাহ করছে এক শ্রেণির অসাধু লোক।
ব্যবসায়ী মিলন দে বলেন,~এভাবে চলতে থাকলে যুব সমাজের পাশাপাশি দ্বীপের আইনশৃঙ্খলা চরম অবনতি গড়ে উঠবে।
~তাই যত তাড়াতাড়ি মদের কারখানাসহ মাদক ব্যবসায়ী ও সরবরাহকারীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন।“
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনোয়ারুল নাসের হ্যালোর সাংবাদিককে ফোনে বলেন, ~মাদকের ভয়াল ছোবল থেকে যুব সমাজকে বাঁচাতে প্রশাসনের পাশাপাশি এগিয়ে আসতে হবে অভিভাবকদের।
~আর যারা দ্বীপে অবৈধপথে প্রাণঘাতী মাদকসহ নেশা জাতীয় দ্রব্য নিয়ে আসছে তাদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
আর এ পরিস্থিতি বদলাতে সবার আন্তরিক সহযোগিতা চান তিনি।
(সংবাদে যুক্ত ছবিটি সংগ্রহীত)


কোন মন্তব্য নেই