আমার লেখা এই প্রতিবেদনটি বিডি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডট কমের হ্যালো বিভাগে প্রকাশিত হয়।
রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে মহেশখালীর পান চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। লোকসান গুণছে চাষি ও ব্যবসায়ীরা।
বিরোধী দলের ডাকা টানা অবরোধে মহেশখালী-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দূরপাল্লার
যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে ব্যবসা-বাণিজ্য।
মহেশখালীর একাধিক পান ব্যাবসায়ী জানান, চালানের জন্য খাঁচা ভর্তি করা এসব পান তিন দিনের মধ্যে গন্তব্য গুদামে পৌঁছাতে না পারলে তা পঁচে নষ্ট হয়ে যায়।
হোয়ানকের পান চাষি মিলন জানান, যে পান বিড়া ৮০ টাকা দরে বিক্রি হতো, হরতালের কারণে ওই পান বিক্রি করতে হচ্ছে ২০/২৫ টাকা দরে।
এখানে উৎপাদিত পান মহেশখালীর বাইরে যেতে না পারায় ব্যবসায়ীদের ‘কোটি’ টাকার চালান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি পানের বাজারজাতকরণ প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চাষিরাও ন্যয্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অনেক আগে থেকেই কৃষি নির্ভরশীল উপজেলা মহেশখালীর ৫০ শতাংশ পরিবার ধানের পাশাপাশি পান চাষ করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করে আসছে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, এ উপজেলার ৯ ইউনিয়নে প্রায় ২০ হাজারেরও বেশি পরিবার পান চাষের সাথে জড়িত।
বসত ভিটায়, ফসলী জমি ও পরিত্যক্ত জায়গা-জমিসহ বনভূমির জায়গা দখল করে প্রতি বছর এখানে প্রায় ৩০ হাজারের বেশি পানের বরজ থেকে উৎপাদিত পান বিক্রি করে স্থানীয় কৃষকেরা ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়াসহ পরিবারের ভরণ পোষণ করে থাকে।
এ সময় পান ঢাকা, বরিশাল, রাজশাহী, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চালান হয়ে থাকে।
ব্যবসায়ীরা জানান, এখানকার উৎপাদিত পান মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে রপ্তানি হয়।
এ খাতে সরকার প্রচুর পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে সক্ষম হলেও পান চাষিরা সরকারিভাবে তেমন কোন সহযোগিতা পান না।
টানা হরতাল-অবরোধ অব্যাহত থাকলে চাষিরা পান চাষে নিরুৎসাহ হয়ে পড়বে বলে ধারণা করছেন এলাকার সচেতন মহল।
মহেশখালীর একাধিক পান ব্যাবসায়ী জানান, চালানের জন্য খাঁচা ভর্তি করা এসব পান তিন দিনের মধ্যে গন্তব্য গুদামে পৌঁছাতে না পারলে তা পঁচে নষ্ট হয়ে যায়।
হোয়ানকের পান চাষি মিলন জানান, যে পান বিড়া ৮০ টাকা দরে বিক্রি হতো, হরতালের কারণে ওই পান বিক্রি করতে হচ্ছে ২০/২৫ টাকা দরে।
এখানে উৎপাদিত পান মহেশখালীর বাইরে যেতে না পারায় ব্যবসায়ীদের ‘কোটি’ টাকার চালান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি পানের বাজারজাতকরণ প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চাষিরাও ন্যয্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অনেক আগে থেকেই কৃষি নির্ভরশীল উপজেলা মহেশখালীর ৫০ শতাংশ পরিবার ধানের পাশাপাশি পান চাষ করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করে আসছে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, এ উপজেলার ৯ ইউনিয়নে প্রায় ২০ হাজারেরও বেশি পরিবার পান চাষের সাথে জড়িত।
বসত ভিটায়, ফসলী জমি ও পরিত্যক্ত জায়গা-জমিসহ বনভূমির জায়গা দখল করে প্রতি বছর এখানে প্রায় ৩০ হাজারের বেশি পানের বরজ থেকে উৎপাদিত পান বিক্রি করে স্থানীয় কৃষকেরা ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়াসহ পরিবারের ভরণ পোষণ করে থাকে।
এ সময় পান ঢাকা, বরিশাল, রাজশাহী, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চালান হয়ে থাকে।
ব্যবসায়ীরা জানান, এখানকার উৎপাদিত পান মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে রপ্তানি হয়।
এ খাতে সরকার প্রচুর পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে সক্ষম হলেও পান চাষিরা সরকারিভাবে তেমন কোন সহযোগিতা পান না।
টানা হরতাল-অবরোধ অব্যাহত থাকলে চাষিরা পান চাষে নিরুৎসাহ হয়ে পড়বে বলে ধারণা করছেন এলাকার সচেতন মহল।

কোন মন্তব্য নেই