আমার লেখা এই প্রতিবেদনটি বিডি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডট কমের হ্যালো বিভাগে প্রকাশিত হয়।
পানের দাম কমে তিনভাগের একভাগে নেমে আসায় মহেশখালির পান চাষিরা বিপাকে পড়েছেন।
টানা হরতালে যানবাহন বন্ধ থাকায় মহেশখালির পান রপ্তানি বন্ধ হয়ে গেছে। পচে নষ্ট হয়ে
যাচ্ছে পান। পান চাষিরা জানান, গত কয়েক দিনের হরতালে পানের
বাজার দর একেবারেই নেমে গেছে।
এ প্রসঙ্গে পান চাষি রফিক মিয়া বলেন, “যে পানের দর পণ প্রতি ৩০০টাকা ছিল, হরতালে সে দর নেমে গেছে ১০০টাকায়।
অপর এক পানচাষি জানান, হরতালের কারণে পান বাইরের এলাকায় রপ্তানি করতে পারছেন না তারা। তাই অর্ধেকেরও কম দামে পান বিক্রি করে দিতে হচ্ছে।
আবার হরতালের কারণেই, পানের দাম কমে গেলেও বেশি দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে চাল, আলু ও পেঁয়াজের মত রোজকার প্রয়োজনীয় জিনিস, এ কথাও জানান তারা।
এসব জিনিসের দাম বাড়ার বিষয়ে মহেশখালীর হোয়ানকো বাজারের প্রিমা স্টোরের মালিক রুপন দে বলেন, ‘হরতালে যানবাহন বন্ধ থাকায় আমরা মাল আনতে পারতেছি না, তাই মালের দাম একটু বেশি নিচ্ছি।
কক্সবাজারের মহেশখালীর বিখ্যাত পান যায় প্রায় সারা দেশে। এটাই সেখানকার মূল অর্থকরি ফসল। উপজেলার বেশিরভাগ মানুষ পান চাষ করে জীবন চালান।
এ প্রসঙ্গে পান চাষি রফিক মিয়া বলেন, “যে পানের দর পণ প্রতি ৩০০টাকা ছিল, হরতালে সে দর নেমে গেছে ১০০টাকায়।
অপর এক পানচাষি জানান, হরতালের কারণে পান বাইরের এলাকায় রপ্তানি করতে পারছেন না তারা। তাই অর্ধেকেরও কম দামে পান বিক্রি করে দিতে হচ্ছে।
আবার হরতালের কারণেই, পানের দাম কমে গেলেও বেশি দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে চাল, আলু ও পেঁয়াজের মত রোজকার প্রয়োজনীয় জিনিস, এ কথাও জানান তারা।
এসব জিনিসের দাম বাড়ার বিষয়ে মহেশখালীর হোয়ানকো বাজারের প্রিমা স্টোরের মালিক রুপন দে বলেন, ‘হরতালে যানবাহন বন্ধ থাকায় আমরা মাল আনতে পারতেছি না, তাই মালের দাম একটু বেশি নিচ্ছি।
কক্সবাজারের মহেশখালীর বিখ্যাত পান যায় প্রায় সারা দেশে। এটাই সেখানকার মূল অর্থকরি ফসল। উপজেলার বেশিরভাগ মানুষ পান চাষ করে জীবন চালান।


কোন মন্তব্য নেই